PHYSIO HEALTH CARE

PHYSIO HEALTH CARE

EN

Ultrasonic Therapy 1&3Mhz

PHYSIO HEALTH CARE

Ultrasonic Therapy  1&3Mhz

Ultrasonic Therapy 1&3Mhz

Out of stock
40,000 BDT42,000 BDTSave 2,000 BDT
No more items remaining!

Details:

  • Brand
    LHC
  • Material
    MS Steel
  • Other Accessories:Two Head
    One of them-1 MHz & Another once-3MHz
  • Warranty
    1 year


১ মেগাহার্টজ (MHz) এবং ৩ মেগাহার্টজ (MHz) এর

আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি মেশিন ফিজিওথেরাপিতে বিভিন্ন ধরনের পেশি ও জয়েন্টের সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এই মেশিনগুলো উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে, যা শরীরের গভীর টিস্যুগুলোতে প্রবেশ করে ব্যথা কমায় এবং টিস্যু নিরাময়কে উৎসাহিত করে।

আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপির ব্যবহার

আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি সাধারণত নিম্নলিখিত সমস্যাগুলির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়:


ব্যথা উপশম: দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা যেমন পিঠ, ঘাড়, কোমর বা জয়েন্টের ব্যথায় এটি কার্যকর।

প্রদাহ এবং ফোলাভাব কমানো: এটি আক্রান্ত স্থানের রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে ফোলাভাব ও দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

পেশী শিথিল করা: শব্দ তরঙ্গ পেশী এবং সংযোগকারী টিস্যুগুলোকে শিথিল করে, যা পেশীর খিঁচুনি কমায়।

টিস্যু নিরাময়: এটি কোষীয় স্তরে টিস্যু মেরামতে সাহায্য করে এবং নিরাময় প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

জয়েন্টের নমনীয়তা বৃদ্ধি: এর তাপীয় প্রভাব জয়েন্টের শক্ততা কমাতে সাহায্য করে, যা নমনীয়তা বাড়ায়।

হাড়ের ভাঙা নিরাময়: কিছু ক্ষেত্রে হাড়ের ভাঙা নিরাময়েও এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।


১ MHz এবং ৩ MHz এর মধ্যে পার্থক্য

মেশিনগুলোতে ১ MHz এবং ৩ MHz ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ ব্যবহারের প্রধান পার্থক্য হলো টিস্যুর গভীরে প্রবেশ করার ক্ষমতা।

বৈশিষ্ট্য

১ MHz (কম ফ্রিকোয়েন্সি) ৩ MHz (বেশি ফ্রিকোয়েন্সি)

প্রবেশের গভীরতা এটি তুলনামূলকভাবে বেশি গভীরতায় প্রবেশ করতে পারে। তাই, শরীরের গভীর পেশি এবং টিস্যুগুলির চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত। এটি কম গভীরতায় প্রবেশ করে। তাই, শরীরের পৃষ্ঠের কাছাকাছি পেশি এবং টিস্যুগুলোর চিকিৎসার জন্য কার্যকর।

তাপীয় প্রভাব গভীর টিস্যুতে তাপ উৎপন্ন করে, যা ব্যথা ও পেশীর খিঁচুনি কমাতে সাহায্য করে। এটি বেশি ঘর্ষণ এবং পৃষ্ঠের কাছাকাছি তাপ উৎপন্ন করে, যা পৃষ্ঠীয় টিস্যু নিরাময়ে সাহায্য করে।

ব্যবহারের ক্ষেত্র উদাহরণ: পিঠের গভীর পেশীর ব্যথা, নিতম্বের জয়েন্টের সমস্যা ইত্যাদি। উদাহরণ: হাতের বা পায়ের ছোট জয়েন্টগুলোর ব্যথা, টেন্ডিনাইটিস ইত্যাদি।

ব্যবহারের পদ্ধতি

আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি প্রয়োগের জন্য কিছু সাধারণ পদক্ষেপ অনুসরণ করা হয়:


জেল প্রয়োগ: চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত স্থানে একটি বিশেষ জেল (আল্ট্রাসাউন্ড জেল) প্রয়োগ করা হয়। এটি ঘর্ষণ কমায় এবং শব্দ তরঙ্গকে টিস্যুতে সহজে প্রবেশ করতে সাহায্য করে।

ট্রান্সডিউসার নাড়ানো: একজন ফিজিওথেরাপিস্ট বা প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ান আল্ট্রাসাউন্ড মেশিনের ট্রান্সডিউসার (শব্দ নির্গত করার মাথা) ব্যবহার করেন। তিনি নির্দিষ্ট স্থানটির উপর মাথাটি ধীরে ধীরে বৃত্তাকার বা রৈখিক গতিতে নাড়ান।

সতর্কতা: থেরাপির সময় রোগীর আরামের দিকে খেয়াল রাখা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তীব্রতা সামঞ্জস্য করা হয়। নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় যেমন গ্রন্থিযুক্ত স্থানে বা সংবেদনশীল অংশে এর ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।


ঝুঁকির সতর্কতা

যদিও আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি সাধারণত নিরাপদ, তবুও কিছু সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন:


যদি ট্রান্সডিউসারটি এক জায়গায় দীর্ঘ সময় ধরে রাখা হয়, তাহলে ত্বকে পুড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।

গর্ভবতী নারী, ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তি এবং কিছু নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যগত সমস্যা আছে এমন রোগীদের জন্য এই থেরাপি উপযুক্ত নাও হতে পারে।

চিকিৎসা শুরুর আগে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।